সর্দি-জ্বরে অনেকে অ্যান্টিবায়োটিক খান, অথচ চিকিৎসকেরা বলেন এতে লাভ নেই। কারণটা কী?
ভাইরাস আর ব্যাকটেরিয়ার মধ্যে পার্থক্যটা ঠিক কোথায়, আর সেই পার্থক্যই কি ওষুধ কাজ না করার কারণ?
সবচেয়ে বেশি প্রশ্নএইচএসসিবাংলা, ইংরেজি, পদার্থ, রসায়ন, জীববিজ্ঞান, উচ্চতর গণিত ও হিসাববিজ্ঞান — বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন ও উত্তর।
Color
Mode
সর্দি-জ্বরে অনেকে অ্যান্টিবায়োটিক খান, অথচ চিকিৎসকেরা বলেন এতে লাভ নেই। কারণটা কী?
ভাইরাস আর ব্যাকটেরিয়ার মধ্যে পার্থক্যটা ঠিক কোথায়, আর সেই পার্থক্যই কি ওষুধ কাজ না করার কারণ?
কারণ অ্যান্টিবায়োটিক ব্যাকটেরিয়ার এমন কিছু গঠন ও প্রক্রিয়াকে আক্রমণ করে যা ভাইরাসের নেই। ব্যাকটেরিয়া একটি পূর্ণাঙ্গ কোষ — তার কোষপ্রাচীর আছে, নিজস্ব প্রোটিন তৈরির ব্যবস্থা আছে, নিজে বংশবৃদ্ধি করতে পারে। অ্যান্টিবায়োটিক ঠিক এই জায়গাগুলোতেই আঘাত করে।
ভাইরাস কোষই নয়। এটি মূলত প্রোটিনের আবরণে মোড়া কিছু জিনগত উপাদান, যার নিজের কোনো বিপাক নেই। ভাইরাস বংশবৃদ্ধি করে আমাদের নিজেদের কোষের যন্ত্রপাতি দখল করে। তাই যে লক্ষ্যবস্তুতে অ্যান্টিবায়োটিক আঘাত করবে, সেটিই অনুপস্থিত।
অপ্রয়োজনে অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া কেবল অকার্যকর নয়, ক্ষতিকরও। এতে শরীরের উপকারী ব্যাকটেরিয়া মরে, আর যেগুলো টিকে যায় তারা ওষুধ-প্রতিরোধী হয়ে ওঠে। ফলে পরে যখন সত্যিই ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ হবে, ওষুধটি আর কাজ না-ও করতে পারে।
ভাইরাসজনিত রোগে চিকিৎসা মূলত উপসর্গ সামলানো ও বিশ্রাম; কিছু ভাইরাসের জন্য আলাদা অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ আছে। অ্যান্টিবায়োটিক কখন লাগবে সেটি চিকিৎসকের সিদ্ধান্ত — নিজে থেকে শুরু বা বন্ধ করা উচিত নয়।