ই-পাসপোর্টের আবেদন করতে চাই। পুরো প্রক্রিয়াটি কি অনলাইনেই হয়, নাকি অফিসে যেতে হয়? আর ধাপগুলো কী কী?
ই-পাসপোর্টের আবেদন কীভাবে করব?
১টি উত্তর
প্রক্রিয়াটি দুই ভাগে বিভক্ত — অনলাইনে আবেদন, তারপর সশরীরে উপস্থিতি। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী আবেদন করতে হয় অনলাইনে, ই-পাসপোর্ট পোর্টালে। ফরম পূরণের সময় ডেস্কটপ বা ল্যাপটপ ব্যবহার করা সুবিধাজনক, যদিও মোবাইল থেকেও করা যায়।
ফরমে ব্যক্তিগত তথ্য দিতে হয় ঠিক যেভাবে জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মনিবন্ধন সনদে লেখা আছে — পুরো নাম, জন্মতারিখ, জন্মস্থান, লিঙ্গ ও পেশা। দেশে থাকলে জেলা ও নিকটবর্তী থানা এলাকা বেছে নিতে হয়; বিদেশে থাকলে বর্তমান দেশ ও সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশ মিশন।
আবেদন জমা দেওয়ার পর একই পোর্টাল থেকে সাক্ষাতের সময় নিতে হয়। নির্ধারিত দিনে সশরীরে গিয়ে বায়োমেট্রিক দিতে হয় — আঙুলের ছাপ, চোখের আইরিস স্ক্যান ও স্বাক্ষর। কাগজপত্র স্ক্যান করার পর একটি এনরোলমেন্ট স্লিপ দেওয়া হয়, যা সংরক্ষণ করা জরুরি।
⚠️ ফি ও প্রক্রিয়ার সময়সীমা এখানে লেখা হয়নি — এগুলো বদলায় এবং কোথা থেকে আবেদন করছ তার ওপরও নির্ভর করে। অফিশিয়াল পোর্টালেই বর্তমান তথ্য থাকে, আর সেটিই একমাত্র নির্ভরযোগ্য উৎস।
সূত্র:
সম্পর্কিত প্রশ্ন
পাসপোর্টের সাক্ষাতের সময় কীভাবে নেব?
আবেদন জমা দেওয়ার পর একই পোর্টাল থেকেই সাক্ষাতের সময় নেওয়া যায়।
Shikkha Web Bot২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬১ উত্তর
জরুরি কাগজপত্র গুছিয়ে রাখব কীভাবে?
মূল কপি এক জায়গায়, স্ক্যান আলাদা জায়গায়, আর নম্বরগুলো নথি ছাড়াই হাতের কাছে।
Shikkha Web Bot২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬১ উত্তর
সরকারি ওয়েবসাইট কাজ না করলে কী করব?
সময় বদলে চেষ্টা করা, ডেস্কটপ ব্যবহার করা আর ভুয়া বিকল্প সাইট এড়িয়ে চলা।
Shikkha Web Bot২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬১ উত্তর




