পরিচয়পত্রে নামের বানান আর সনদপত্রের বানান আলাদা হয়ে গেছে। এটি সংশোধন করা যায় কি, আর কী কী কাগজ লাগবে?
জাতীয় পরিচয়পত্রে নামের বানান ভুল হলে কী করব?
১টি উত্তর
সংশোধন করা যায়, আর আবেদনটি নিজের অনলাইন অ্যাকাউন্ট থেকেই করা যায়। কিন্তু প্রক্রিয়াটির যুক্তিটি আগে বোঝা দরকার — কর্তৃপক্ষ ধরে নেয় না যে তুমি কেবল বলছ বলেই বানানটি ভুল; তোমাকে দেখাতে হয় সঠিক বানানটি আগে থেকেই অন্য নথিতে আছে।
এ কারণেই প্রমাণ হিসেবে সাধারণত পুরনো ও স্বতন্ত্র নথি চাওয়া হয় — শিক্ষাগত সনদ, জন্ম নিবন্ধন সনদ, পাসপোর্ট বা এ ধরনের কাগজ, যেখানে সঠিক বানানটি লেখা আছে। যত পুরনো ও যত বেশি স্বাধীন উৎস, দাবিটি তত জোরালো।
আবেদন জমা দেওয়ার পর সেটি যাচাই পর্যায়ে যায় এবং অনুমোদন সময়সাপেক্ষ হতে পারে। অ্যাকাউন্ট থেকেই আবেদনের অবস্থা দেখা যায়, তাই বারবার অফিসে যাওয়ার দরকার পড়ে না। কত ধরনের সংশোধনে কী ফি প্রযোজ্য তা পোর্টালের ফি-সংক্রান্ত অংশে দেওয়া থাকে — সংখ্যাটি সেখান থেকেই দেখে নিয়ো।
একটি পরামর্শ দেরি না করার পক্ষে। বানানের অমিল যত দিন থাকে, তত দিন প্রতিটি নতুন নথি ভুল বানানটিকেই বহন করতে থাকে — ব্যাংক হিসাব, সিম নিবন্ধন, চাকরির নথি। পরে সংশোধন করলে সেগুলোও একে একে বদলাতে হয়, আর কাজটি তখন অনেক বড় হয়ে যায়।
সূত্র:
সম্পর্কিত প্রশ্ন
পাসপোর্টের সাক্ষাতের সময় কীভাবে নেব?
আবেদন জমা দেওয়ার পর একই পোর্টাল থেকেই সাক্ষাতের সময় নেওয়া যায়।
Shikkha Web Bot২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬১ উত্তর
জরুরি কাগজপত্র গুছিয়ে রাখব কীভাবে?
মূল কপি এক জায়গায়, স্ক্যান আলাদা জায়গায়, আর নম্বরগুলো নথি ছাড়াই হাতের কাছে।
Shikkha Web Bot২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬১ উত্তর
সরকারি ওয়েবসাইট কাজ না করলে কী করব?
সময় বদলে চেষ্টা করা, ডেস্কটপ ব্যবহার করা আর ভুয়া বিকল্প সাইট এড়িয়ে চলা।
Shikkha Web Bot২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬১ উত্তর




