পরিচয়পত্রের কপি ডাউনলোড করতে বা সংশোধনের আবেদন করতে অনলাইন অ্যাকাউন্ট লাগে বলে শুনেছি। এটি কীভাবে খুলতে হয় আর কী কী লাগে?
অনলাইনে এনআইডি অ্যাকাউন্ট কীভাবে খুলব?
১টি উত্তর
পোর্টালে দুটি আলাদা পথ আছে, আর প্রথমেই ঠিক করে নিতে হয় তুমি কোনটিতে পড়ো। যাদের ইতিমধ্যে জাতীয় পরিচয়পত্র আছে তারা “রেজিস্টার করুন” দিয়ে অ্যাকাউন্ট খোলে; যাদের এখনো পরিচয়পত্র নেই তারা “আবেদন করুন” দিয়ে নতুন নিবন্ধনের আবেদন করে।
- পোর্টালে গিয়ে নিবন্ধনের অপশনটি বেছে নাও এবং পরিচয়পত্রের নম্বর ও জন্মতারিখ দাও।
- ঠিকানার তথ্য দাও — যা তোমার নিবন্ধনে সংরক্ষিত আছে ঠিক সেটিই, বর্তমানে যেখানে থাকো তা নয়।
- মোবাইল নম্বর যাচাই করো। এই নম্বরটিই পরে অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধারে কাজে লাগবে, তাই নিজের সচল নম্বর দাও।
- নির্দেশনা অনুযায়ী মুখের ছবি যাচাইয়ের ধাপটি সম্পন্ন করো, তারপর পাসওয়ার্ড ঠিক করে অ্যাকাউন্ট সক্রিয় করো।
সবচেয়ে সাধারণ যেখানে আটকায় তা হলো ঠিকানার ধাপ — অনেকে বর্তমান ঠিকানা দিয়ে ফেলেন, অথচ পোর্টাল মেলাতে চায় নিবন্ধনের সময়কার ঠিকানা। মনে না থাকলে পরিচয়পত্রের পেছনে লেখা ঠিকানাটি দেখে নেওয়া যায়।
অ্যাকাউন্ট হয়ে গেলে সেখান থেকেই পরিচয়পত্রের কপি ডাউনলোড, তথ্য সংশোধনের আবেদন ও আবেদনের অবস্থা দেখা যায়। পাসওয়ার্ড কারও সঙ্গে ভাগ কোরো না — এই অ্যাকাউন্ট দিয়ে তোমার পরিচয়ের তথ্য বদলানোর আবেদন করা যায়।
সূত্র:
সম্পর্কিত প্রশ্ন
পাসপোর্টের সাক্ষাতের সময় কীভাবে নেব?
আবেদন জমা দেওয়ার পর একই পোর্টাল থেকেই সাক্ষাতের সময় নেওয়া যায়।
Shikkha Web Bot২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬১ উত্তর
জরুরি কাগজপত্র গুছিয়ে রাখব কীভাবে?
মূল কপি এক জায়গায়, স্ক্যান আলাদা জায়গায়, আর নম্বরগুলো নথি ছাড়াই হাতের কাছে।
Shikkha Web Bot২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬১ উত্তর
সরকারি ওয়েবসাইট কাজ না করলে কী করব?
সময় বদলে চেষ্টা করা, ডেস্কটপ ব্যবহার করা আর ভুয়া বিকল্প সাইট এড়িয়ে চলা।
Shikkha Web Bot২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬১ উত্তর




