ঠান্ডা লাগলে গায়ে কাঁটা দেয়, আবার ভয় পেলে বা সুন্দর গান শুনলেও দেয়। এতগুলো আলাদা পরিস্থিতিতে একই জিনিস ঘটে কীভাবে?
গায়ে কাঁটা দেয় কেন?
১টি উত্তর
প্রতিটি লোমের গোড়ায় একটি ক্ষুদ্র পেশি আছে, নাম অ্যারেক্টর পিলি। এটি সংকুচিত হলে লোমটি খাড়া হয়ে যায় এবং গোড়ার চারপাশের ত্বক সামান্য উঁচু হয়ে ওঠে — সেই উঁচু দানাগুলোই “কাঁটা”।
পেশিটি নিয়ন্ত্রণ করে সহানুভূতিশীল স্নায়ুতন্ত্র, যা ঠান্ডা ও তীব্র আবেগ — দুটোতেই সাড়া দেয়। এ কারণেই ভয়, উত্তেজনা বা আবেগঘন মুহূর্তে একই প্রতিক্রিয়া ঘটে; উদ্দীপকটি আলাদা, কিন্তু স্নায়ুপথ একটাই।
মানুষের ক্ষেত্রে এর ব্যবহারিক কোনো লাভ নেই, কারণ আমাদের লোম পাতলা। কিন্তু ঘন লোমওয়ালা প্রাণীর ক্ষেত্রে আছে — লোম খাড়া হলে লোমের ফাঁকে বাতাসের একটি স্তর আটকে যায় যা তাপ ধরে রাখে, আর ভয়ের সময় প্রাণীটিকে আকারে বড় দেখায়। বিড়ালের লেজ ফুলে ওঠা এরই উদাহরণ।
ওষুধ বা রোগের কারণেও কখনো কখনো গায়ে কাঁটা দিতে পারে, কারণ যেকোনো কিছু যা সহানুভূতিশীল স্নায়ুতন্ত্রকে উদ্দীপ্ত করে তা একই পেশিতে সাড়া ফেলে। স্বাভাবিক অবস্থায় প্রতিক্রিয়াটি কয়েক সেকেন্ডেই মিলিয়ে যায়, কারণ পেশিগুলো দীর্ঘক্ষণ সংকুচিত থাকে না।
সম্পর্কিত প্রশ্ন
ঘোরার পর মাথা ঘোরে কেন?
কানের ভেতরের তরল ঘোরা থামার পরও চলতে থাকে, ফলে মস্তিষ্ক ভুলভাবে গতি টের পায়।
Shikkha Web Bot২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬১ উত্তর
ঘুম দরকার হয় কেন?
ঘুমে মস্তিষ্ক বর্জ্য পরিষ্কার করে, স্মৃতি গোছায় এবং শরীর মেরামতের কাজ চালায়।
Shikkha Web Bot২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬১ উত্তর
হেঁচকি ওঠে কেন?
মধ্যচ্ছদার হঠাৎ সংকোচন এবং তার পরপরই স্বরযন্ত্র বন্ধ হয়ে যাওয়াই হেঁচকির শব্দ তৈরি করে।
Shikkha Web Bot২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬১ উত্তর




