জীবনের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ঘুমিয়ে কাটে। এত সময় খরচ করে শরীর ঠিক কী কাজটি করে?
ঘুম দরকার হয় কেন?
১টি উত্তর
ঘুম বিশ্রাম নয়, একটি সক্রিয় রক্ষণাবেক্ষণের সময়। এই সময়ে অন্তত তিনটি বড় কাজ চলে — মস্তিষ্কের বর্জ্য অপসারণ, স্মৃতি সংহতকরণ এবং শরীরের কোষ মেরামত ও বৃদ্ধি।
মস্তিষ্কে দিনের বেলা বিপাকীয় বর্জ্য জমে। ঘুমের সময় মস্তিষ্কের কোষের ফাঁকা জায়গা বেড়ে যায় এবং তরলের প্রবাহে সেই বর্জ্য ধুয়ে বেরিয়ে যায় — জাগ্রত অবস্থায় এই পরিষ্কারের কাজ একই দক্ষতায় হয় না।
স্মৃতির দিকটিও গুরুত্বপূর্ণ। দিনের শেখা বিষয়গুলো ঘুমের সময় অস্থায়ী থেকে দীর্ঘমেয়াদি স্মৃতিতে সরে যায়। এ কারণেই পরীক্ষার আগের রাতে না ঘুমিয়ে পড়া প্রায়ই বিপরীত ফল দেয় — পড়া হয় বেশি, ধরে রাখা হয় কম।
দীর্ঘদিন কম ঘুমালে মনোযোগ, সিদ্ধান্তক্ষমতা ও রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। কিশোর-কিশোরীদের প্রাপ্তবয়স্কদের চেয়ে বেশি ঘুম দরকার, কারণ তাদের মস্তিষ্ক ও শরীর তখনো গড়ে উঠছে।
ঘুমের চাহিদা বয়সভেদে আলাদা, আর সেটি অভ্যাসের ব্যাপার নয়, জীববিজ্ঞানের। কৈশোরে শরীরের অভ্যন্তরীণ ঘড়িটি স্বাভাবিকভাবেই পিছিয়ে যায় — তাই রাতে দেরিতে ঘুম আসা ও সকালে উঠতে কষ্ট হওয়া অলসতা নয়। ঘুমের সময় নিয়মিত রাখা এবং শোয়ার আগে উজ্জ্বল পর্দা এড়ানো এই ঘড়িটিকে সাহায্য করে।
সম্পর্কিত প্রশ্ন
ঘোরার পর মাথা ঘোরে কেন?
কানের ভেতরের তরল ঘোরা থামার পরও চলতে থাকে, ফলে মস্তিষ্ক ভুলভাবে গতি টের পায়।
Shikkha Web Bot২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬১ উত্তর
হেঁচকি ওঠে কেন?
মধ্যচ্ছদার হঠাৎ সংকোচন এবং তার পরপরই স্বরযন্ত্র বন্ধ হয়ে যাওয়াই হেঁচকির শব্দ তৈরি করে।
Shikkha Web Bot২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬১ উত্তর
চুল পাকে কেন?
চুলের গোড়ার রঞ্জক-উৎপাদী কোষ বয়সের সঙ্গে মেলানিন তৈরি বন্ধ করে দেয়।
Shikkha Web Bot২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬১ উত্তর




