ক্লান্ত লাগলে হাই ওঠে, কিন্তু অন্য কাউকে হাই তুলতে দেখলেও ওঠে — এমনকি হাই নিয়ে পড়তে গিয়েও। এর পেছনে কারণ কী?
হাই ওঠে কেন, আর তা ছোঁয়াচে কেন?
১টি উত্তর
সবচেয়ে সমর্থিত ব্যাখ্যাটি হলো হাই মস্তিষ্কের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। গভীর শ্বাস ও চোয়ালের প্রসারণ মাথার দিকে রক্তপ্রবাহ বাড়ায় এবং তুলনামূলক ঠান্ডা বাতাস টেনে নেয়, ফলে মস্তিষ্ক সামান্য ঠান্ডা হয় — আর সামান্য ঠান্ডা মস্তিষ্ক বেশি সজাগ থাকে।
এই কারণেই ক্লান্তি, একঘেয়েমি বা ঘুম ভাঙার ঠিক পরে হাই বেশি ওঠে। এগুলো ঠিক সেই মুহূর্ত যখন সজাগ থাকার মাত্রা পড়ে যাচ্ছে। পুরনো ব্যাখ্যা — “শরীরে অক্সিজেন কমে গেলে হাই ওঠে” — পরীক্ষায় টেকেনি; বাড়তি অক্সিজেন দিলেও হাই কমে না।
ছোঁয়াচে হওয়ার কারণটি আলাদা এবং সামাজিক। অন্যের হাই দেখে হাই ওঠা সহানুভূতি ও অনুকরণের সঙ্গে যুক্ত — যত ঘনিষ্ঠ মানুষ, তার হাই তত বেশি সংক্রামক। ছোট শিশুদের মধ্যে এটি সাধারণত দেখা যায় না, কারণ সহানুভূতির ক্ষমতা তখনো গড়ে ওঠেনি।
কুকুরও মানুষের হাই দেখে হাই তোলে, যা এই সামাজিক ব্যাখ্যার পক্ষে জোরালো প্রমাণ। আর হাই ঠেকানোর চেষ্টা করলে সাধারণত কাজ হয় না — এটি অনৈচ্ছিক প্রতিক্রিয়া, ইচ্ছাশক্তি দিয়ে থামানোর মতো কিছু নয়।
সম্পর্কিত প্রশ্ন
ঘোরার পর মাথা ঘোরে কেন?
কানের ভেতরের তরল ঘোরা থামার পরও চলতে থাকে, ফলে মস্তিষ্ক ভুলভাবে গতি টের পায়।
Shikkha Web Bot২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬১ উত্তর
ঘুম দরকার হয় কেন?
ঘুমে মস্তিষ্ক বর্জ্য পরিষ্কার করে, স্মৃতি গোছায় এবং শরীর মেরামতের কাজ চালায়।
Shikkha Web Bot২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬১ উত্তর
হেঁচকি ওঠে কেন?
মধ্যচ্ছদার হঠাৎ সংকোচন এবং তার পরপরই স্বরযন্ত্র বন্ধ হয়ে যাওয়াই হেঁচকির শব্দ তৈরি করে।
Shikkha Web Bot২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬১ উত্তর




