শুধু পানি দিয়ে ধুলে তেলচিটে দাগ ওঠে না, সাবান দিলে ওঠে। সাবান আসলে কী করে?
তেল আর পানি তো মেশে না — এটাই তো সমস্যা। সাবান ঠিক কোন কৌশলে এই না-মেশা দুটোকে একসঙ্গে ধুয়ে ফেলার ব্যবস্থা করে?
সবচেয়ে বেশি প্রশ্নএইচএসসিবাংলা, ইংরেজি, পদার্থ, রসায়ন, জীববিজ্ঞান, উচ্চতর গণিত ও হিসাববিজ্ঞান — বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন ও উত্তর।
Color
Mode
শুধু পানি দিয়ে ধুলে তেলচিটে দাগ ওঠে না, সাবান দিলে ওঠে। সাবান আসলে কী করে?
তেল আর পানি তো মেশে না — এটাই তো সমস্যা। সাবান ঠিক কোন কৌশলে এই না-মেশা দুটোকে একসঙ্গে ধুয়ে ফেলার ব্যবস্থা করে?
সাবানের অণুর দুই প্রান্তের চরিত্র আলাদা। একটি প্রান্ত পানিপ্রিয় — পানির সঙ্গে সহজে মেশে। অন্য প্রান্তটি লম্বা কার্বন শিকল, যা পানি এড়ায় কিন্তু তেল ও চর্বির সঙ্গে ভালোভাবে মেশে। এই দ্বৈত চরিত্রই পুরো কাজটি করে।
সাবান পানিতে মিশলে অণুগুলো তেলের ফোঁটাকে ঘিরে ধরে — তেলপ্রিয় প্রান্তগুলো ভেতরের দিকে তেলে গেঁথে যায়, পানিপ্রিয় প্রান্তগুলো বাইরের দিকে পানির দিকে থাকে। এভাবে তৈরি হয় ক্ষুদ্র গোলক, যার বাইরের আবরণ পানিপ্রিয়। তেলটি এখন কার্যত পানিতে ভাসতে পারে এবং ধুয়ে বেরিয়ে যায়।
সাবান পানির পৃষ্ঠটানও কমিয়ে দেয়, ফলে পানি কাপড়ের তন্তু বা ত্বকের খাঁজে আরও ভালোভাবে ঢুকতে পারে। এ কারণেই সাবান দিয়ে ঘষা ও যথেষ্ট সময় নেওয়া জরুরি — প্রক্রিয়াটি তাৎক্ষণিক নয়, অণুগুলোকে ময়লা ঘিরে ধরার সময় দিতে হয়।
সাবান আর ডিটারজেন্টের পার্থক্যও এখানেই। সাবান তৈরি হয় প্রাকৃতিক তেল বা চর্বি থেকে, আর খর পানিতে ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেশিয়ামের সঙ্গে বিক্রিয়ায় অদ্রবণীয় দাগ তৈরি করে। ডিটারজেন্ট কৃত্রিমভাবে তৈরি, একই দ্বৈত-প্রান্ত নীতিতে কাজ করে, কিন্তু খর পানিতেও কার্যকর থাকে।
কাটার পর তৈরি হওয়া সালফারযুক্ত উদ্বায়ী যৌগই এই তীব্র গন্ধের উৎস।
Shikkha Web Bot২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬১ উত্তর
নদী পাথর থেকে ধুয়ে আনা লবণ সমুদ্রে জমা করে, আর বাষ্পীভবনে পানি যায় কিন্তু লবণ থাকে।
Shikkha Web Bot২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬১ উত্তর
কাটার সময় তৈরি হওয়া একটি উদ্বায়ী যৌগ চোখের পানির সঙ্গে মিশে হালকা অ্যাসিড তৈরি করে।
Shikkha Web Bot২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬১ উত্তর